সর্বশেষ
[ Dragon Age: Inquisition Cracked GOG Release Desktop ] [ গোপালগঞ্জে জামিনে বেরিয়ে ‘ধর্ষণ মামলা’ তুলে নিতে বাদীকে হুমকি :* ] [ Netop School Portable + Crack 100% Worked MEGA ] [ *গোপালগঞ্জে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু :* ] [ মতলব উত্তরে হরিনা-দুর্গাপুর সড়কে আবারও খাদে ইটের খোয়াবাহী ট্রলি ] [ স্কুল কমিটি নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২৮ খালিয়াজুরীতে দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ; চারজনকে নেওয়া হয় ময়মনসিংহে, মামলা দুটি ] [ h5axzj4b5yq7iifzxx ] [ *গোপালগঞ্জে পুকুর থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার* ] [ ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত পুলিশ কনস্টেবল মোসাম্মৎ ফারজানা আক্তার লিজা, দুটি শিশু সন্তানকে এতিম করে যেতে চান না* ] [ জুলাই যোদ্ধা আজ হাসপাতালের বেডে, একটি পা হারিয়ে অসহায়! গরিব বলে কেউ পাশে দাঁড়াচ্ছে না* ] [ খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে তার চুরির সময় যুবক আটক ] [ Clayface 2026 HD MP4 DD5.1 𝐅𝚞𝐥𝐥 𝐌𝐨𝚟𝐢𝐞 torrent ]
মতলব উত্তরে তালাক নিয়ে কলোহের জেড় ধরে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা চেষ্টা

মতলব উত্তরে তালাক নিয়ে কলোহের জেড় ধরে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা চেষ্টা

 

মোঃ মাহফুজ আলম, স্টাফ রিপোর্টার

 

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছোট ঝিনাইয়া গ্রামে তালাক নিয়ে কলোহের জেড় ধরে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা চেষ্টা করেছে এক পাষন্ড ব্যক্তি। গত ৩১ আগষ্ট রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে আহত ওই নারী আফরোজা বেগমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় আফরোজা বাদী হয়ে সাখাওয়াত হোসেন, আক্তার হোসেন, শাকিল ও শাহানারা বেগমকে বিবাদী করে মতলব উত্তর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলা সুত্রে জানা গেছে, বিবাদী সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে আফরোজা বেগমের গত ১৮ বছর পূর্বে ইসলামী শরীয়াত মোতাবেক বিবাহ হয়। তাদের সংসারে মোঃ আশিক (১৭) নামে একটি ছেলে সন্তান ও মোসাঃ মার্জিয়া আক্তার (১৫) নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। সাখাওয়াত বিবাহের পর থেকে নেশা গ্রহণ করলে আফরোজা তাকে নেশা গ্রহন করতে বাধা নিষেধ সে তা কথা তোয়াক্কা না করে অপরাপর বিবাদীদের সহায়তায় এরূপ কার্যক্রম অব্যাহত রাখে এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি প্রদান অব্যাহত রাখে। গত ০৭ মাস পূর্বে সাখাওয়াতের সাথে কাজীর মাধ্যমে আফরোজার তালাক হয়। এরই মধ্যে গত ৩১ আগষ্ট রাতে ছোট ঝিনাইয়া লেংটা খোলা নামক স্থানে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়া সালিশ বৈঠক হয়। সালিশ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় সাখাওয়াত অপরাপর বিবাদীরা আফরোজা ও তার পরিবারের সদস্যদের উপর অত্যারচার নির্যাতন করতে পারবে না এবং কোন প্রকার যোগাযোগ করতে পারবে না। তখন সাখাওয়াত বাদীর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আফরোজাকে আগালমন্দ শুরু করে। তার গালমন্দের বিষয়ে প্রতিবাদ করিলে তিনি আফরোজাকে কিল, ঘুষি, লাথি মারিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে। বিবাদীর আঘাতে তিনি মাটিতে লুটে পড়লে সাখাওয়াতের হাতে থাকা ছুরি দ্বারা আফরোজাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কোপ মারিলে উক্ত কোপ তার গলায় লেগে কাটা রক্তাক্ত গুরুতর জখম হয়। অন্যান্য বিবাদীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলা চেপে ধরে শ্বাসরুদ্ধ করার চেষ্টা করে এবং চুলে ধরে টানা হেচড়া করে মারধর সহ শ্লীলতাহানি করে।

বাদী আফরোজা বেগম বলেন, নেশাগ্রস্থ সাখাওয়াতের সংসার করতে গিয়ে তার অত্যাচারে আমি অতিষ্ট হয়ে পড়েছি। তাই তার সাথে তালাক হয়েছে। কিন্তু তারপরও সে আমার উপর অন্যায় অত্যাচার চালিয়ে আসছে। শালিশ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হওয়ার পরও সে আমাকে হত্যার চেষ্টা করে। আমি আইনের প্রতি সুষ্ঠু বিচার ও যথাযথ নিরাপত্তা চাই।

আফরোজার পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী জানান, সাখাওয়াত মাদকসক্ত একজন মানুষ। সে খুবই পাষন্ড এবং উগ্র। সে হুমকি ধামকি দিচ্ছে আফরোজার পিতার বাড়িতে এসে হামলা দিবে এবং ঘর বাড়ি পুড়িয়ে দিবে। আমরা আইনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই এবং নিরাপত্তা চাই।