সর্বশেষ
[ Dragon Age: Inquisition Cracked GOG Release Desktop ] [ গোপালগঞ্জে জামিনে বেরিয়ে ‘ধর্ষণ মামলা’ তুলে নিতে বাদীকে হুমকি :* ] [ Netop School Portable + Crack 100% Worked MEGA ] [ *গোপালগঞ্জে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু :* ] [ মতলব উত্তরে হরিনা-দুর্গাপুর সড়কে আবারও খাদে ইটের খোয়াবাহী ট্রলি ] [ স্কুল কমিটি নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২৮ খালিয়াজুরীতে দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ; চারজনকে নেওয়া হয় ময়মনসিংহে, মামলা দুটি ] [ h5axzj4b5yq7iifzxx ] [ *গোপালগঞ্জে পুকুর থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার* ] [ ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত পুলিশ কনস্টেবল মোসাম্মৎ ফারজানা আক্তার লিজা, দুটি শিশু সন্তানকে এতিম করে যেতে চান না* ] [ জুলাই যোদ্ধা আজ হাসপাতালের বেডে, একটি পা হারিয়ে অসহায়! গরিব বলে কেউ পাশে দাঁড়াচ্ছে না* ] [ খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে তার চুরির সময় যুবক আটক ] [ Clayface 2026 HD MP4 DD5.1 𝐅𝚞𝐥𝐥 𝐌𝐨𝚟𝐢𝐞 torrent ]
শ্রীমঙ্গলে স্বামীর সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টার অভিযোগ প্রতিবন্ধী নারীর

শ্রীমঙ্গলে স্বামীর সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টার অভিযোগ প্রতিবন্ধী নারীর

 

মোঃ সোহানুর রহমান সোহান

 

১ আগস্ট ২০২৬ ইংরেজি

স্বামীর মৃত্যুর পর বৈধ অধিকার ও সম্পত্তি থেকে প্রতিবন্ধী নারী ও তাঁর তিন সন্তানকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে সৎ ভাইদের বিরুদ্ধে। শনিবার (১ আগস্ট ২০২৬) দুপুরে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শহরের সুরভীপাড়া এলাকার বাসিন্দা রহিমা বেগম এই অভিযোগ করেন।

 

​লিখিত বক্তব্যে রহিমা বেগম জানান, ২০০৫ সালে মৌলভীবাজার রোডের সুইনগড় এলাকার মৃত হাজি ইয়াকুব আলী খাঁনের সঙ্গে তাঁর ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী বিয়ে হয়। বিয়ের সময় তাঁর স্বামীর আরও দুই স্ত্রী ছিলেন। ২০১৪ সালের মে মাসে স্বামী হাজি ইয়াকুব আলী খাঁন মারা যাওয়ার পর থেকেই প্রথম পক্ষের ছেলেরা তাঁকে ও তাঁর সন্তানদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে।

 

​তিনি আরও জানান, বিয়ের পর থেকে স্বামী শহরের সুরভীপাড়া এলাকায় ৪ শতক জমির ওপর একটি বাসায় তাঁদের নিয়ে সংসার করে আসছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা প্রথম পক্ষের বড় ছেলে মনজুর আলী খাঁনকে প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার দায়িত্ব দেন। কিন্তু ২০২৩ সাল থেকে সেই ভাতাও বন্ধ করে দেওয়া হয়। সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন, প্রথম পক্ষের বড় ছেলে জুনাব আলী খাঁন ও ছোট ছেলে সাহাদত আলী খাঁন তাঁর সন্তানদের বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অসৎ উদ্দেশ্যে এফিডেভিট করে একটি একতরফা ওয়ারিশনামা তৈরি করেছেন।

 

​এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে গেলে গত ৩১ মে সকালে বড় ছেলে রাশেদ আলী খাঁন সৎ ভাইদের বাসায় গেলে জুনাব আলী ও সাহাদত আলী তাঁদের ভাই হিসেবে অস্বীকার করেন এবং মারমুখী আচরণ করে নানা ধরনের হুমকি দেন। ওই দিন সন্ধ্যায় শহরে যাওয়ার পথে জুনাব আলী খাঁন, সাহাদত আলী খাঁন এবং তাঁদের ভাইয়ের ছেলে ইমন ও জীবন তাঁদের ওপর হামলা চালান ও মারধর করেন। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং সম্পত্তির বৈধ দাবি নিয়ে আরও দুটি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

 

​রহিমা বেগম বলেন, ‘কাবিননামা না থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রথম পক্ষের ছেলেরা আমার সন্তানদের পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার চক্রান্ত করছে। অথচ হাজী ইয়াকুব আলী খাঁন যে আমার স্বামী ছিলেন, তার সপক্ষে শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ারিশ সনদ, টিকাদান কার্ড ও পৌরসভার নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন সরকারি কাগজপত্র রয়েছে।’

 

​তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০০৫ সালে তাঁর স্বামী হজ পালনে সৌদি আরব যাওয়ার সুযোগে প্রথম পক্ষের ছেলেরা শ্রীমঙ্গল পোস্ট অফিস রোডস্থ খান বাণিজ্যালয়ের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে ৮০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন। ওই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্বামী জীবিতাবস্থায় তিন ছেলেকে ত্যাজ্য করেছিলেন। অথচ আজ তারাই তাঁর এতিম সন্তানদের ন্যায্য অধিকার কেড়ে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে।

 

​সংবাদ সম্মেলনে কান্নায় ভেঙে পড়ে প্রতিবন্ধী রহিমা বেগম বলেন, ‘আমার নিজের সম্পত্তির কোনো লোভ নেই, কিন্তু আমার এতিম ছেলে-মেয়েদের তো তাদের পিতার সম্পত্তির ওপর আইনগত হক রয়েছে।’ এতিম শিশুদের অধিকার রক্ষায় তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসন এবং সংবাদকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

 

​এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইয়াকুব আলী খাঁনের ছোট ছেলে সাহাদত আলী খাঁনের সঙ্গে মটো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি শুরুতে রহিমা বেগমকে তাঁর বাবার স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করেন। তবে পরবর্তীতে তিনি জানান, ‘রহিমা বেগম সত্যি যদি আমার বাবার স্ত্রী হয়ে থাকেন, তবে তিনি আমাদের কাছে আসুন; আমরা সামাজিকভাবে বসে বিষয়টি মীমাংসা করে দিবেন বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।