সর্বশেষ
[ Dragon Age: Inquisition Cracked GOG Release Desktop ] [ গোপালগঞ্জে জামিনে বেরিয়ে ‘ধর্ষণ মামলা’ তুলে নিতে বাদীকে হুমকি :* ] [ Netop School Portable + Crack 100% Worked MEGA ] [ *গোপালগঞ্জে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু :* ] [ মতলব উত্তরে হরিনা-দুর্গাপুর সড়কে আবারও খাদে ইটের খোয়াবাহী ট্রলি ] [ স্কুল কমিটি নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২৮ খালিয়াজুরীতে দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ; চারজনকে নেওয়া হয় ময়মনসিংহে, মামলা দুটি ] [ h5axzj4b5yq7iifzxx ] [ *গোপালগঞ্জে পুকুর থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার* ] [ ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত পুলিশ কনস্টেবল মোসাম্মৎ ফারজানা আক্তার লিজা, দুটি শিশু সন্তানকে এতিম করে যেতে চান না* ] [ জুলাই যোদ্ধা আজ হাসপাতালের বেডে, একটি পা হারিয়ে অসহায়! গরিব বলে কেউ পাশে দাঁড়াচ্ছে না* ] [ খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে তার চুরির সময় যুবক আটক ] [ Clayface 2026 HD MP4 DD5.1 𝐅𝚞𝐥𝐥 𝐌𝐨𝚟𝐢𝐞 torrent ]
সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নওগাঁর ১৩ জন নিহত, মরদেহ ফেরানোর দাবি

# সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নওগাঁর ১৩ জন নিহত, মরদেহ ফেরানোর দাবি

 

মোঃ সিরাজুল ইসলাম (সিরাজী বিডি)

দৈনিক প্রিয় দেশ প্রতিদিন:

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের মানফুয়া এলাকায় একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁ জেলায়। এ ঘটনায় নিহতদের পরিবারের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনরা দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

 

স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ১৩ জনের মধ্যে ১২ জন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার এবং একজন নওগাঁ সদর উপজেলার বাসিন্দা। নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন—আত্রাই উপজেলার সাদনগর গ্রামের সাগর, খরস্রোতা গ্রামের মজিদুল ও আব্দুল জলিল, উজানপৈ গ্রামের ফরিদ শেখ, ডুবাই গ্রামের সুমন ও হাসিবুল হাসান শুভ, গন্ডগোহালি গ্রামের মহন প্রামাণিক ও তাঁর ছোট ভাই সুমন প্রামাণিক, একই গ্রামের রুবেল প্রামাণিক ও কলিমুল্লাহ প্রামাণিক, বোয়ালা গ্রামের হৃদয় এবং মধ্যবোয়ালিয়া গ্রামের মিনহাজ। এছাড়া নওগাঁ সদর উপজেলার পার-নওগাঁ এলাকার শাহিনও নিহতদের তালিকায় রয়েছেন।

 

স্বজন ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, রিয়াদের মানফুয়া এলাকার ওই সোফা কারখানায় নওগাঁ, নাটোর ও রাজশাহীর কয়েকটি এলাকার শ্রমিকরা কাজ করতেন। রোববার স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে কারখানাটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। এ সময় ভেতরে থাকা শ্রমিকদের একটি অংশ ঘুমিয়ে ছিলেন বলে স্বজনদের দাবি।

 

নিহত ফরিদ শেখের চাচাতো ভাই জাহিদুল ইসলামের ভাষ্য, শ্রমিকরা দিনের বেলায় ঘুমাতেন এবং রাতে কাজ করতেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানার মূল ফটক বাইরে থেকে বন্ধ থাকার কারণে শ্রমিকদের বের হওয়ার সুযোগ ছিল না বলে তিনি দাবি করেন। ফলে আগুনের মধ্যে আটকা পড়ে অনেকেই প্রাণ হারান।

 

এই ঘটনায় নওগাঁর পাশাপাশি নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার দুইজন এবং রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার একজন বাংলাদেশি শ্রমিকও নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে দুর্ঘটনায় ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

 

নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করা এবং মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া নিয়ে সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রমকল্যাণ উইং কাজ করছে। নওগাঁর জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে মরদেহগুলো দ্রুত দেশে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

 

এদিকে স্বজনরা দ্রুত মরদেহ দেশে এনে নিজ নিজ এলাকায় দাফনের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি নিহত পরিবারগুলোর জন্য সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।