3:43 pm, Saturday, 18 April 2026

খালেদা জিয়ার প্রয়াণে কম্বোডিয়া প্রবাসীদের শোক: মো. আলমের গভীর সমবেদনা নিজস্ব প্রতিবেদক

  • Reporter Name
  • Update Time : 07:40:50 am, Tuesday, 30 December 2025
  • 77 Time View

খালেদা জিয়ার প্রয়াণে কম্বোডিয়া প্রবাসীদের শোক: মো. আলমের গভীর সমবেদনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন কম্বোডিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রিয় মুখ এবং বিএনপি নেতা মো. আলম। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আপসহীন এই নেত্রী।

 

শোকবার্তায় মো. আলম

বিএনপির সেক্রেটারি

ক্যান্ডিডেট হিসেবে পরিচিত মো. আলম এক শোকবার্তায় বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী। তাঁর মৃত্যুতে দেশ কেবল একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হারায়নি, বরং হারিয়েছে কোটি কোটি মানুষের আস্থার ঠিকানা ও মাদার অফ ডেমোক্রেসিকে। তাঁর শূন্যতা কখনোই পূরণ হবার নয়।”

 

তিনি আরও যোগ করেন, “জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন এবং অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। আজ তাঁর এই বিদায়লগ্নে আমরা কম্বোডিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিরা গভীরভাবে শোকাহত। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি

 

কম্বোডিয়া প্রবাসীদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা

কম্বোডিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন প্রবাসীদের জন্য প্রেরণার উৎস। তাঁর শাসনামলে প্রবাসীদের অধিকার রক্ষায় নেওয়া পদক্ষেপগুলো আজও মানুষ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। মো. আলমের নেতৃত্বে কম্বোডিয়ায় অবস্থানরত বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ প্রবাসীরা মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

 

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অবসান

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর মতো মো. আলমও তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেন যে, ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ থেকে শুরু করে ২০০১ সালের পুনরায় ক্ষমতায় আসীন হওয়া—প্রতিটি ক্ষেত্রেই খালেদা জিয়া দেশের উন্নয়নে অভূতপূর্ব ভূমিকা রেখেছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে তিনি যেভাবে দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন, তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

 

সবশেষে মো. আলম দেশবাসীর কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “দেশনেত্রীর বিদায়ে আমরা যেন তাঁর প্রদর্শিত ধৈর্যের পথ অনুসরণ করি এবং মহান আল্লাহর কাছে তাঁর জান্নাতুল ফেরদৌস নসিবের জন্য দোয়া করি।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিলেন এমপি ড. জালাল উদ্দীন

খালেদা জিয়ার প্রয়াণে কম্বোডিয়া প্রবাসীদের শোক: মো. আলমের গভীর সমবেদনা নিজস্ব প্রতিবেদক

Update Time : 07:40:50 am, Tuesday, 30 December 2025

খালেদা জিয়ার প্রয়াণে কম্বোডিয়া প্রবাসীদের শোক: মো. আলমের গভীর সমবেদনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন কম্বোডিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রিয় মুখ এবং বিএনপি নেতা মো. আলম। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আপসহীন এই নেত্রী।

 

শোকবার্তায় মো. আলম

বিএনপির সেক্রেটারি

ক্যান্ডিডেট হিসেবে পরিচিত মো. আলম এক শোকবার্তায় বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী। তাঁর মৃত্যুতে দেশ কেবল একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হারায়নি, বরং হারিয়েছে কোটি কোটি মানুষের আস্থার ঠিকানা ও মাদার অফ ডেমোক্রেসিকে। তাঁর শূন্যতা কখনোই পূরণ হবার নয়।”

 

তিনি আরও যোগ করেন, “জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন এবং অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। আজ তাঁর এই বিদায়লগ্নে আমরা কম্বোডিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিরা গভীরভাবে শোকাহত। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি

 

কম্বোডিয়া প্রবাসীদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা

কম্বোডিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন প্রবাসীদের জন্য প্রেরণার উৎস। তাঁর শাসনামলে প্রবাসীদের অধিকার রক্ষায় নেওয়া পদক্ষেপগুলো আজও মানুষ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। মো. আলমের নেতৃত্বে কম্বোডিয়ায় অবস্থানরত বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ প্রবাসীরা মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

 

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অবসান

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর মতো মো. আলমও তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেন যে, ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ থেকে শুরু করে ২০০১ সালের পুনরায় ক্ষমতায় আসীন হওয়া—প্রতিটি ক্ষেত্রেই খালেদা জিয়া দেশের উন্নয়নে অভূতপূর্ব ভূমিকা রেখেছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে তিনি যেভাবে দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন, তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

 

সবশেষে মো. আলম দেশবাসীর কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “দেশনেত্রীর বিদায়ে আমরা যেন তাঁর প্রদর্শিত ধৈর্যের পথ অনুসরণ করি এবং মহান আল্লাহর কাছে তাঁর জান্নাতুল ফেরদৌস নসিবের জন্য দোয়া করি।”