নেত্রকোনা জেলার
রাজনীতিতে মন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা ও ত্যাগের বিচারে যাঁর নামটি সবচেয়ে স্বাভাবিকভাবেই বেশি উচ্চারিত হয়, তিনি হলেন অধ্যাপক ডা:মো: আনোয়ারুল হক—এ কথা বললে ভুল হবে না।
একদিকে যেমন তিনি নেত্রকোনা জেলায় সর্বোচ্চ বেশি ভোটে নির্বাচিত হয়ে জনগণের অকুণ্ঠ আস্থা অর্জন করেছেন, অন্যদিকে একজন চিকিৎসক হিসেবে তাঁর মানবিক অবদান নেত্রকোনার রাজনীতিকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। রাজনীতিকে তিনি শুধু ক্ষমতার হাতিয়ার হিসেবে নয়, মানুষের সেবার মাধ্যম হিসেবে দেখেছেন—যা আজকের দিনে বিরল।
ডাক্তার আনোয়ারুল হক সাহেব বিগত দিনে অসংখ্য অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিঃস্বার্থ চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন। অর্থের অভাবে যারা চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হতো, তাদের জন্য তিনি ছিলেন ভরসার নাম। রাজনীতির উত্তাল সময়ে, দুঃসময়ে যখন অনেকেই সরে দাঁড়িয়েছে, তখন তিনি দল ও আদর্শ আঁকড়ে ধরে মাঠে থেকেছেন—এটাই তাঁকে আলাদা করে।
নেত্রকোনার মানুষ জানে, জনপ্রিয়তা কাগজে-কলমে আসে না; আসে কাজে, ত্যাগে ও মানুষের ভালোবাসায়। সেই বিচারে ডা. আনোয়ারুল হক সাহেব শুধু ভোটে জয়ী নন, তিনি মানুষের হৃদয়েও জয়ী। তাই নেত্রকোনা জেলায় মন্ত্রী হওয়ার মতো যোগ্য ব্যক্তির তালিকায় তাঁর নামটি আজ সময়ের দাবি।
অধ্যাপক ড: মো: আনোয়ারুল হক ভাইয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক
▪ তাঁর নেতৃত্বে নেত্রকোনা জেলায় কোনো দলীয় কোন্দল নেই।
▪ অভ্যন্তরীণ বিভাজন নিরসনে তিনি হতে পারেন সবচেয়ে কার্যকর সমাধান
▪ ব্যক্তিগত অহংকারী নয়, ঐক্য ও সমঝোতার রাজনীতিতে বিশ্বাসী।নেত্রকোনায় বিএনপির রাজনীতি সংঘাতমুক্ত, ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী
▪ এক লক্ষেরও বেশি ভোটে বিজয় — নেত্রকোনার মানুষের নিরঙ্কুশ আস্থা
▪ সাধারণ জনগণ ও নেতাকর্মীদের কাছে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নেতা
▪ বিগত দিনে অসংখ্য অসহায় মানুষের মানবিক চিকিৎসা সেবা প্রদান
▪ রাজনীতিতে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ও সেবামুখী নেতৃত্ব
▪ দলের চরম দুঃসময়ে বিএনপিকে ধরে রেখেছেন, মাঠ ছাড়েননি
▪ নেতাকর্মীদের কাছে অভিভাবক সুলভ ও আস্থার নাম
তাই নেত্রকোনা বাসী প্রাণের দাবি অধ্যাপক ডাক্তার আনোয়ারুল হক কে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।।
আব্দুল ওয়াদুদ 























