1:24 am, Wednesday, 22 April 2026

নগরবাসী সচেতন না হলে, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়: চসিক মেয়র।

নগরবাসী সচেতন না হলে, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়: চসিক মেয়র।

স্টাফ রিপোর্টার মোঃ সাইফুল ইসলাম।

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, এই শহরকে ভালোবাসতে হবে। যতক্ষণ না আমরা নিজের দায়িত্ববোধ থেকে শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্যোগ নেব, ততক্ষণ পর্যন্ত জলাবদ্ধতা দূর হবে না।

তিনি বলেন, নগরবাসী সচেতন না হলে, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। মেয়র রাস্তায় নেমে কাজ করলে, নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে জোরদার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ এর আওতায় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে নগরীর বাকলিয়া এলাকায় নালা-খাল পরিষ্কার ও মাটি উত্তোলন কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে এই মন্তব্য করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এ সময় তিনি বলেন, গত বছর আমরা চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পেরেছি, ইনশাল্লাহ। এ কাজে বিভিন্ন সেবা-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করেছে। এবারও একইভাবে সম্মিলিত উদ্যোগে কাজ চলছে।

মেয়র শাহাদাত বলেন, নগরীর অধিকাংশ নালা-খাল এখনও ময়লায় ভরে যাচ্ছে। মানুষকে সচেতন করার পরও অনেকে যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেলছেন।

তিনি বলেন, গত তিন দিন ধরে আমি নিজেই বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখছি যে নালার ভেতরে কী পরিমাণ ময়লা জমে আছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে নগরবাসীকেই দায়িত্বশীল হতে হবে।

এ সময় চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে দক্ষিণ বাকলিয়া, পশ্চিম বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর ও মোহরাসহ নিচু এলাকাগুলোতে যাতে মানুষ জলাবদ্ধতার শিকার না হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমরা চাই, কেউ যেন পানিবন্দি না থাকে।

নালা-খালে ময়লা ফেলা ও অবৈধভাবে দখল বা সংকুচিত করার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মেয়র বলেন, যারা নালা-খালে ময়লা ফেলবে বা অবৈধভাবে দখল করে ড্রেন সংকুচিত করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনোভাবেই ড্রেনের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হতে দেওয়া হবে না।

তিনি জানান, চসিক ইতোমধ্যেই প্রায় ৬ হাজার ডাস্টবিন সরবরাহ করেছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এ সব ডাস্টবিন চুরি হয়ে যাচ্ছে বা যথাযথভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান মেয়র।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

তিন বন্ধুর উদ্যোক্তার গল্প। 

নগরবাসী সচেতন না হলে, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়: চসিক মেয়র।

Update Time : 12:38:58 pm, Tuesday, 21 April 2026

নগরবাসী সচেতন না হলে, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়: চসিক মেয়র।

স্টাফ রিপোর্টার মোঃ সাইফুল ইসলাম।

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, এই শহরকে ভালোবাসতে হবে। যতক্ষণ না আমরা নিজের দায়িত্ববোধ থেকে শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্যোগ নেব, ততক্ষণ পর্যন্ত জলাবদ্ধতা দূর হবে না।

তিনি বলেন, নগরবাসী সচেতন না হলে, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। মেয়র রাস্তায় নেমে কাজ করলে, নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে জোরদার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ এর আওতায় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে নগরীর বাকলিয়া এলাকায় নালা-খাল পরিষ্কার ও মাটি উত্তোলন কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে এই মন্তব্য করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এ সময় তিনি বলেন, গত বছর আমরা চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পেরেছি, ইনশাল্লাহ। এ কাজে বিভিন্ন সেবা-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করেছে। এবারও একইভাবে সম্মিলিত উদ্যোগে কাজ চলছে।

মেয়র শাহাদাত বলেন, নগরীর অধিকাংশ নালা-খাল এখনও ময়লায় ভরে যাচ্ছে। মানুষকে সচেতন করার পরও অনেকে যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেলছেন।

তিনি বলেন, গত তিন দিন ধরে আমি নিজেই বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখছি যে নালার ভেতরে কী পরিমাণ ময়লা জমে আছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে নগরবাসীকেই দায়িত্বশীল হতে হবে।

এ সময় চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে দক্ষিণ বাকলিয়া, পশ্চিম বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর ও মোহরাসহ নিচু এলাকাগুলোতে যাতে মানুষ জলাবদ্ধতার শিকার না হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমরা চাই, কেউ যেন পানিবন্দি না থাকে।

নালা-খালে ময়লা ফেলা ও অবৈধভাবে দখল বা সংকুচিত করার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মেয়র বলেন, যারা নালা-খালে ময়লা ফেলবে বা অবৈধভাবে দখল করে ড্রেন সংকুচিত করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনোভাবেই ড্রেনের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হতে দেওয়া হবে না।

তিনি জানান, চসিক ইতোমধ্যেই প্রায় ৬ হাজার ডাস্টবিন সরবরাহ করেছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এ সব ডাস্টবিন চুরি হয়ে যাচ্ছে বা যথাযথভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান মেয়র।