12:51 am, Sunday, 19 April 2026

রাজনগরের পূর্ব কাউয়াদিঘি হাওরে বোরো ধানের বাম্পার ফলন,কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি 

রাজনগরের পূর্ব কাউয়াদিঘি হাওরে বোরো ধানের বাম্পার ফলন,কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি

 

মোফাজ্জল হোসেন শায়েখ

উপজেলা প্রতিনিধি, রাজনগর (মৌলভীবাজার):

 

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার পূর্ব কাউয়াদিঘি হাওরে চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো সেচ ও সার সরবরাহ এবং কৃষকদের নিরলস পরিশ্রমে এবার উৎপাদন আশাতীত ভালো হয়েছে।

 

হাওরের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন পাকা ধানের সোনালী আভা। কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে তোলার কাজে। কোথাও কোথাও শ্রমিক সংকট থাকলেও স্থানীয়ভাবে শ্রমিক সংগ্রহ করে দ্রুত ফসল ঘরে তুলতে চেষ্টা করছেন তারা।

 

স্থানীয় কৃষকরা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার ফলন অনেক বেশি হয়েছে। পূর্ব কাউয়াদিঘি হাওরের অধিবাসী কৃষক ফারুক মিয়া বলেন, “আবহাওয়া ভালো থাকায় ধানের কোনো বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। ফলনও ভালো হয়েছে। তবে ধানের ন্যায্যমূল্য পেলে আমরা বেশি উপকৃত হবো।”

 

 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের বীজ ব্যবহারের ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করায় রোগবালাইও কম দেখা গেছে।

 

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, বাম্পার ফলনের পাশাপাশি ধানের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় উৎপাদন খরচ তুলতে হিমশিম খেতে হবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

 

রাজনগরের পূর্ব কাউয়াদিঘি হাওরের বোরো ধানের এই বাম্পার ফলন স্থানীয় অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ঝালকাঠিতে বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

রাজনগরের পূর্ব কাউয়াদিঘি হাওরে বোরো ধানের বাম্পার ফলন,কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি 

Update Time : 03:24:54 pm, Saturday, 18 April 2026

রাজনগরের পূর্ব কাউয়াদিঘি হাওরে বোরো ধানের বাম্পার ফলন,কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি

 

মোফাজ্জল হোসেন শায়েখ

উপজেলা প্রতিনিধি, রাজনগর (মৌলভীবাজার):

 

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার পূর্ব কাউয়াদিঘি হাওরে চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো সেচ ও সার সরবরাহ এবং কৃষকদের নিরলস পরিশ্রমে এবার উৎপাদন আশাতীত ভালো হয়েছে।

 

হাওরের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন পাকা ধানের সোনালী আভা। কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে তোলার কাজে। কোথাও কোথাও শ্রমিক সংকট থাকলেও স্থানীয়ভাবে শ্রমিক সংগ্রহ করে দ্রুত ফসল ঘরে তুলতে চেষ্টা করছেন তারা।

 

স্থানীয় কৃষকরা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার ফলন অনেক বেশি হয়েছে। পূর্ব কাউয়াদিঘি হাওরের অধিবাসী কৃষক ফারুক মিয়া বলেন, “আবহাওয়া ভালো থাকায় ধানের কোনো বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। ফলনও ভালো হয়েছে। তবে ধানের ন্যায্যমূল্য পেলে আমরা বেশি উপকৃত হবো।”

 

 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের বীজ ব্যবহারের ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করায় রোগবালাইও কম দেখা গেছে।

 

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, বাম্পার ফলনের পাশাপাশি ধানের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় উৎপাদন খরচ তুলতে হিমশিম খেতে হবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

 

রাজনগরের পূর্ব কাউয়াদিঘি হাওরের বোরো ধানের এই বাম্পার ফলন স্থানীয় অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।