আমি কনে যাব, মরলিও কবর খড়ার জায়গাও নাই আমার।
খুলনার কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়ন০৬ নাং ওয়াড জয়পুর গ্রাম। এলাকাটির শাঁকবাড়িয়া নদীর তীরে অবস্থিত। শেষ প্রান্তে কপোতাক্ষ নদী, আর ওপারে সাতক্ষীরা জেলা।
পৌষের দুপুরে শাঁকবাড়িয়া
নদীতীর–সংলগ্ন রাস্তা ধরে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ নজর যায় একজন বৃদ্ধ মহিলার দিকে। মুখে ক্লান্তি আর দীর্ঘ জীবনের ভার। বয়স জানতে চাইলে হালিমা বেগম নামের ওই বৃদ্ধা একগাল হাসি ছড়িয়ে বলেন, ‘তা তো আর হিসাব কইরে রাখিনি, বাপু।’
কথায় কথায় জানা গেল, একসময় স্বামী-সংসার সবই ছিল হালিমা বেগমের। তাঁর শ্বশুরবাড়ি ছিল কয়রা দোশালিয়া গ্রামে । স্বামী মজিবার নদীতে মাছ ধরতেন, কখনো ধান ও মাটি কাটার কাজ করতেন । সংসারে অভাব ছিল, তবে জীবন থেমে ছিল না। হঠাৎ একদিন ঝগড়া করে বাবার বাড়ি এসে ওঠে ।আর কখনো ফিরে যাওয়া হয়নি স্বামীর সংসারে। তিন বছরের ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়ি কুড়িগড় বেঁধে থাকে হালিমা বেগম।
দীর্ঘশ্বাস লুকিয়ে হালিমা বেগম বলেন, ‘অনেক কষ্টে ছেলেকে বড় করেছিমা, আর তাকে বিয়ও দিয়ে ছিলাম। মোস্তাক আহমেদের একটা ছেলে আর একটা মেয়ে হয়। ভেবেছিলাম এবার মনে হয় আমার কষ্ট দূর হবে, কিন্তু মেয়ের বয়স তিন বছর হলে ক্
Reporter Name 























